হোলসেল প্রাইস অফার
কিনোয়ার হ্রাসকৃত পাইকারি মূল্য তালিকা:
** স্পেশাল প্রমোশনাল প্রাইসে মিনিমাম অর্ডার কোয়ান্টিটি ২ কেজি।
** প্রমোশনাল প্রাইসের উপরে কোনো প্রকার বার্গেইনিং প্রযোজ্য নয়।
** লোকেশন ও পরিমান অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।
পৃথিবীর প্রাচীনতম ও সর্বাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পন্ন সুপারফুড কিনোয়া এর প্রধান কিছু উপকারিতা নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ
কিনোয়া একটি সম্পূর্ণ প্রোটিনের উৎস, যার মানে এতে নয়টি প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। এটি নিরামিষভোজী ও নিরামিষাশী মানুষের জন্য একটি চমৎকার প্রোটিন বিকল্প যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।
২. ফাইবারের ভালো উৎস
কিনোয়া ফাইবারে ভরপুর, যা হজমশক্তি উন্নত করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। এটি ওজন কমাতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।
৩. গ্লুটেন-মুক্ত
গ্লুটেন-মুক্ত খাদ্যের জন্য কিনোয়া একটি ভালো বিকল্প। এটি সিলিয়াক রোগে আক্রান্ত বা গ্লুটেন সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য নিরাপদ।
৪. উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
কিনোয়াতে কুয়ারসেটিন এবং কােমফেরল-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৫. ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ
কিনোয়াতে ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাসিয়াম এবং জিঙ্ক রয়েছে। এগুলো হাড় মজবুত করতে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং শরীরের শক্তি সরবরাহে সাহায্য করে।
৬. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
কিনোয়ার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
৭. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
কিনোয়াতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।
৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
উচ্চ প্রোটিন ও ফাইবার থাকার কারণে কিনোয়া দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যা অতিরিক্ত খাওয়া কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৯. রান্না করা সহজ এবং বহুমুখী ব্যবহার
সিদ্ধ করে স্যালাড, খিচুড়ি, স্যুপ বা ফ্রাইড রাইস করে খাওয়া যায়।
রুটি বা পাস্তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
সেহেরি ও ইফতার এ অনন্য সংযোজন হতে পারে কিনোয়া। রেসিপি শেয়ার করা হবে পেজ এ।
| Weight | 1 kg |
|---|


